আপনি কি জানেন, 96% বিজনেস শুরু হবার ১০ বছরের মধ্যেই ফেইল করে। আর ২ বছরের মধ্যে গায়েব হয়ে যায় 80% বিজনেস। এর কারণটা আসলে কি?
মূলত সঠিক মার্কেটিং strategy ইউজ না করার কারণে এমনটা হয়।
এখন যত বড় বড় কোম্পানি আপনি দেখেছেন তাদের Marketing Strategy তত বেশি আকর্ষণীয় ও ইউনিক, সেই কারণেই তারা বড় কোম্পানি তৈরি করতে সফল হয়েছে।
তাই বোঝাই যাচ্ছে, একটা বিজনেসকে ওভারঅল সাকসেসফুল করতে এই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি সবচাইতে বেশি হেল্প করে।
ছোট-বড় প্রতিটা বিজনেসেই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি যেন ইফেকটিভ হয় সেটা নিশ্চিত করা খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। তবে যারা একদম বিগিনার তারা অনেক সময়ই বুঝতে পারেননা ঠিক কোন স্টেপগুলো ফলো করার মাধ্যমে তারা নিজেদের বিজনেসের জন্য এমন মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করতে পারবেন।
আজকের এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন কারণ এখানে আমি marketing strategy নিয়ে কিছু ইউজফুল ইনফরমেশন দিবো যেটা আপনার কাজে লাগবে।
মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি কী এবং কেন প্রয়োজন?


মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি হলো এমন একটা ডিটেইলড প্ল্যান কিংবা স্ট্র্যাটেজি যেটা কোনো কোম্পানির স্পেসিফিক বিজনেস অবজেকটিভ ফুলফিল করার জন্য ডেভেলপ করা হয় ৷ যেকোনো বিজনেসে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করে। কেননা এই স্ট্র্যাটেজি –
একটা বিজনেসের মিশন, ভিশন, বিজনেস গোল ইত্যাদি ডিফাইন করতে হেল্প করে।
কাস্টমারদের ট্রাস্ট গেইন করে বিজনেসে সেল বাড়ায়।
বিজনেস কোম্পানির রেপুটেশন বাড়ায়।
সর্বোপরি টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে পৌঁছানোও পসিবল হয় ৷
বর্তমানে যত দিন যাচ্ছে পুরো বিজনেস সেক্টরটাও তত বেশি কম্পিটিটিভ হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং যদি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ইফেকটিভ না হয় তাহলে এই হাইলি কম্পিটিটিভ মার্কেটে কোনোভাবেই টিকে থাকতে পারবেন না। কাজেই যদি নিজের বিজনেসের পজিশন উঁচুতে নিয়ে যেতে চান, তাহলে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করার পেছনে যথেষ্ট সময় দেয়া মাস্ট!
আজকে আমি এমনই বেস্ট ৬ টি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি শেয়ার করছি যেখানে আপনি এগুলো সম্পর্কে আরো বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন।
#১ ব্র্যান্ড মার্কেটিং করা
কোম্পানির প্রোডাক্ট সেল বলেন অথবা কোম্পানির পরিচিতির কথা বলেন ব্র্যান্ড মার্কেটিং ছাড়া সাকসেস অসম্ভব! কারণ আপনার কোম্পানির প্রচার যত বেশি হবে আপনার প্রোডাক্ট এর সেল তত ভালো হবে। বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমেও সেল বাড়ানো যায়। আপনার উচিত হবে যখনি আপনি একটি কোম্পানি দাঁড় করাবেন তখনি কোম্পানির লোগো এবং ব্র্যান্ডিং শুরু করে দেওয়া।
মুলত একটি ব্র্যান্ড মার্কেটিংকে সাকসেস করতে হলে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে-
আপনার টার্গেট অডিয়েন্স কারা
আপনার ব্র্যান্ড এর প্রাথমিক লক্ষ্যটা কি
সাকসেসটাকে আপনি কিভাবে সঙ্গায়িত করেন
এই সহজ তিনটি প্রশ্নের উত্তর আপনার মাথায় সেট করতে পারলে আপনিও আপনার ব্র্যান্ড মার্কেটিং কে সাকসেস করতে পারবেন এবং বিশ্বের কাছে পরিচিতি গড়ে তুলতে পারবেন।
এখানে অ্যাপেল এর ব্র্যান্ড মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি টা বলছি। আ্যাপেলের ব্র্যান্ড মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি টা খুবই সিম্পল। তারা শুধুমাত্র একটি ব্র্যান্ড-ই তৈরি করেনি, তাদের প্রোডাক্টই সেল করেনি তারা তাদের প্রোডাক্টগুলোর মাধ্যমে মানুষের লাইফস্টাইল কেই পরিবর্তন করে দিয়েছে। তারা তাদের মার্কেটিং এর উপর এমন ভাবে ইফোর্ট দিয়েছে যেন একজন কাস্টমার ফিল করে আ্যাপল প্রোডাক্ট তার লাইফস্টাইলকে ইম্প্রুভ করবে। এই ধরনের মার্কেট স্ট্র্যাটেজি কাস্টমার এর মনে প্রোডাক্টটি সম্পর্কে আস্থা জুগিয়েছে। এরকম আরও অনেক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি রয়েছে। যা নিজের কোম্পানিতে অ্যাপ্লাই করে আপনিও সফল হতে পারেন।
#২ রিটার্ন জেনারেট করে এমন কাজগুলোতে বেশি ফোকাস করা
বর্তমানে entrepreneur রা যেই ভুলটা করে তা হলো সব কাজ তারা একাই করতে চায়। নিজে পেপারওয়ার্ক করবে, নিজে ডেটা এন্ট্রি করবে, একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করবে,সবকিছু। তারা কোনোটাই বাদ দিতে চায় না। কিন্তু আপনার এটা বুঝতে হবে আপনি যে কাজগুলো করছেন সেটা থেকে আসলেই কোনো রিটার্ন আসছে কি না। ধরেন, আপনার পেইজের কোনো পোস্টে একটা কমেন্ট আসলো, এখন সেই কমেন্টের রিপ্লাই যে আপনাকেই দিতে হবে সেটা কিন্তু না। এখন সেটা থেকে আপনি ঠিক কেমন রিটার্ন পাবেন, সেটা কিন্তু আপনি measure করতে পারবেন না।
এজন্য এমন কাজগুলোই আপনার নিজের করা উচিত যা থেকে আপনি রিটার্ন আশা করতে পারেন। এ ধরনের খুচরা কাজগুলোর শুধুমাত্র ৪% কাজেই বেশি ফোকাস করতে হবে যেগুলো আপনার জন্য ইম্পর্ট্যান্ট।
এটা খুবই ইম্পর্ট্যান্ট যে আপনি আপনার সময়কে অডিট করেন। আপনি আপনার মূল্যবান সময়কে কোথায় ব্যয় করছেন এটা নির্ধারণ করা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
#৩ সেলস বৃদ্ধিতে ফোকাস করা
সেলস বৃদ্ধি করতে কি লাগে? অনেক বেশি পরিমাণে কাস্টমার। সেক্ষেত্রে আমরা কি করবো? সেলস বৃদ্ধির জন্য অনেকেই অনেক কথা বলে থাকে। অনলাইনে ঘাটাঘাটি করলেও এমন অনেক উপায় পাবেন যার মাধ্যমে আপনার বিক্রি দ্বিগুন, পাঁচগুন কিংবা দশগুন বৃদ্ধি করার উপায় বলা আছে। কিন্তু বাস্তবেই কি তাই? আসলেই এমনটা কখনও হয় না। সেলস বৃদ্ধির এসব উপায়ের অধিকাংশই তাই আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছু না।
সেলস বৃদ্ধি করার জন্য আপনার ব্যবসায়ের সাথে সম্পর্কিত অডিয়েন্স এনগেজমেন্ট করার চেষ্টা করতে হবে।
আপনার টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে আপনার অ্যাড বা পোস্ট পৌছালে স্বাভাবিকভাবে আপনার এনগেজমেন্টও বাড়বে। এনগেজমেন্ট বাড়ার অর্থ হলো আপনার সেলস বেড়ে যাওয়া। এজন্য অ্যাড বা পোস্টগুলো এমনভাবে ডিজাইন করতে হবে যেন কাস্টমাররা আসলে আপনার প্রোডাক্ট থেকে কেমন সুবিধা পাবে সে সম্পর্কে সুন্দরভাবে বর্ণনা করা থাকে। এছাড়াও পণ্যের মান অনুযায়ী আকর্ষনীয় ডিজাইন ব্যবহার করাটাও জরুরি।
এছাড়া সেলস বৃদ্ধি করতে–
প্রোডাক্ট কোয়ালিটি,
কাস্টমারদের ডিমান্ড,
আকর্ষণীয় ডিজাইন
প্রোডাক্ট ভ্যালু
ইনফরমেটিভ আর্টিকেল বা ব্লগ এসবের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে।
সেলস বৃদ্ধির জন্য ওল্ড কাস্টমারদেরকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আপনার ওল্ড এবং রিসেন্ট কাস্টমার-ই হতে পারে আপনার সেলস এর বেস্ট সোর্স। কারণ তারা অলরেডি আপনার প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস ব্যবহার করেছে এবং সার্ভিস সম্পর্কে খুব ভালো করে জানে। এজন্য নতুন করে সেলস অপরচুনিটি তৈরি করতে এবং সেলস বৃদ্ধি করতে ওল্ড কাস্টমারকে হাই প্রায়োরিটি দিন। অনেক কোম্পানি সেল ক্লোজ হয়ে যাওয়ার পর আর কাস্টমারদের সাথে তেমন যোগাযোগ রাখেনা, যা একদম-ই উচিত নয়। তাদের সাথে নিয়মিত ফলোআপ করুন, খোঁজ করুন, আপনার সার্ভিস নিয়ে তারা কতটা সেটিস্ফাই সে ব্যাপারে রিসার্চ করুন।
#৪ SWOT অ্যানালাইসিস ও value preposition নির্ণয় করা
কোন বিজনেসে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করতে চাইলে সে বিজনেসের প্রতিটা খুঁটিনাটি বিষয় জেনে নেয়া মাস্ট। কেননা যদি নিজের বিজনেসের সবকিছু নিজেই ক্লিয়ারলি না জানেন তাহলে যত ইফোর্ট দিয়েই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করুন না কেন, সেটা রিয়েল লাইফে কোন কাজেই আসবেনা। একারণে নিজের বিজনেস সম্পর্কে আরো ডিটেইলে জানার উদ্দেশ্যেই সবার আগে SWOT অ্যানালাইসিস করা হয় এবং value preposition নির্ণয় করা হয়।
যদি সহজভাবে বলতে যাই, তাহলে বলতে হয় SWOT বা (Strength, Weakness, Opportunity, Threat) অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে যেকোনো বিজনেসের স্ট্রেন্থ , উইকনেস, অপোরচুনিটি এবং থ্রেট এ চারটা বিষয় সম্পর্কে ডিটেইলে জানা পসিবল হয়।
স্ট্রেন্থের মধ্যে নিজের বিজনেসের কোনো স্ট্রং পয়েন্ট যেমন : ইউনিক প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস অফার করা, ভালো কাস্টমার সার্ভিস দিতে পারা ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়। উইকনেসের মধ্যে বিজনেসের যে বিষয়গুলোতে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে সেগুলো উল্লেখ করা হয়। যেমনঃ যদি সবার কাছে বিজনেসের পরিচিতি কম থাকে কিংবা ইনভেস্টমেন্ট কম থাকে ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করা হয়।
এরপর অপোরচুনিটির ভেতরে মূলত বিজনেস সাকসেসফুল করার যে চান্সগুলো রয়েছে সেগুলো ইনক্লুড করা হয়। যেমনঃ যদি নিজের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিসকে ক্লায়েন্টদের সামনে ইউনিকভাবে প্রেজেন্ট করার আইডিয়া থাকে সেটা উল্লেখ করতে পারেন, আবার ধরুন যদি কম্পিটিটরদের চেয়ে আলাদা কিছু করে ক্লায়েন্টদের নিজের বিজনেসের প্রতি ইন্টারেস্টেড করে তোলার কোন প্ল্যান থাকে সেটাও রাখতে পারেন।
সবার শেষে, বিজনেসের থ্রেটের মধ্যে বিজনেসের জন্য ক্ষতিকর কিংবা হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে এমন বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। যেমনঃ কম্পিটিটরদের লিস্ট, যদি দেশের ইকোনমিক কন্ডিশন বাজে হয় সেগুলো রাখতে পারেন।
মোটকথা SWOT অ্যানালাইসিস করার পর নিজের বিজনেসের ব্যাপারে সবকিছুই আপনার জানা হয়ে যাবে। তাই যদি শুরুতেই এই অ্যানালাইসিস করেন, তাহলে খুব ইজিলি বুঝতে পারবেন ঠিক কিভাবে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করলে চারপাশে ভালো রকম কম্পিটিশন থাকা সত্ত্বেও সাকসেসফুল হতে পারবেন।
SWOT অ্যানালাইসিসের পাশাপাশি নিজের বিজনেসের Value Preposition নির্ণয় করুন৷ Value Preposition এমন একটা প্রোসেস যার মাধ্যমে একটা বিজনেসের মেইন স্ট্রেন্থ বা স্ট্রং পয়েন্ট সম্পর্কে জানা যায়। এর পাশাপাশি সেই বিজনেসটাকে তার কম্পিটিটরদের থেকে কোন কোন দিক দিয়ে আলাদাভাবে আইডেন্টিফাই করা যেতে পারে সেটাও বোঝা যায়। এই Value Preposition নির্ণয় করতে পারলে ইফেকটিভলি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করার কাজটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
#৫ সঠিক মার্কেটিং মেথড অ্যাপ্লাই
যেকোনো বিজনেসে মার্কেটিং মেথড এস্টাবলিশ করা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত নিজের টার্গেটেড অডিয়েন্সের ধরণের ওপর ভিত্তি করে মার্কেটিং মেথড কেমন হবে তা ডিটারমাইন করা হয়ে থাকে। এজন্য শুরুতেই আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্সদের কিভাবে আকর্ষণ করা যেতে পারে সেটা রিসার্চ করে বের করুন। তারপর সে অনুযায়ী কিভাবে মার্কেটিং করবেন সেটা ডিসাইড করুন। ধরুন, যদি টার্গেটেড অডিয়েন্সদের বেশিরভাগই সোশাল মিডিয়ার অ্যাকটিভ ইউজার হয়ে থাকে তাহলে নিজের বিজনেসের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলো আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন রেগুলার প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস রিলেটেড পোস্ট শেয়ারের মাধ্যমে। সবসময় মনে রাখবেন, বিজনেসে ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করতে চাইলে মার্কেটিং মেথড ইফেকটিভ হওয়া ম্যান্ডেটরি।
#৬ কম্পিটিটর রিসার্চ করা
আজকালকার দিনে এমন কোনো বিজনেস নেই, যেটাতে কোনো কম্পিটিটর থাকেনা। যেই বিজনেসই করতে আসুন না কেন, কম্পিটিটর থাকবেই যারা প্রতিনিয়ত নিজেদের আইডিয়া এবং স্ট্র্যাটেজি কাজে লাগিয়ে সমস্ত ক্লায়েন্টকে তাদের বিজনেস কোম্পানির দিকে আকর্ষণ করার ট্রাই করবে। সুতরাং যদি এসব কম্পিটিটরদের টপকে নিজের বিজনেসের দিকে ক্লায়েন্টদের আকর্ষণ করার জন্য ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করতে চান, তাহলে কম্পিটিটর রিসার্চের পেছনে দিতে হবে বাড়তি সময় এবং ইফোর্ট। মূলত কম্পিটিটরদের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল এবং ওয়েবসাইট এ দুটি প্ল্যাটফর্মে এই রিসার্চ করা হয়ে থাকে। এই রিসার্চের মাধ্যমে বোঝা যায় কম্পিটিটরদের স্ট্র্যাটেজি ঠিক কোনদিকে ফোকাস করে ডেভেলপ করা হয়েছে। এতে করে নিজের বিজনেসের জন্য ইউনিক এবং ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করা যায়।
তবে কম্পিটিটর রিসার্চের সময় বেশিরভাগই যে ভুলটা করেন সেটা হলো তাদের আইডিয়া কিংবা মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি হুবহু নিজের বিজনেসে অ্যাপ্লাই করেন। এটা কখনোই করা যাবেনা। কারণ কম্পিটিটর রিসার্চের মূল উদ্দেশ্যই হলো কিভাবে কম্পিটিটরদের চাইতে ইউনিকভাবে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি বানানো যেতে পারে সে সম্পর্কে আইডিয়া নেয়া।
আশা করি, আপনারা এই ৬ টি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা লাভ করতে পেরেছেন।
সবশেষে বলা যায়,
মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি বিজনেসের এমন একটা পার্ট যেটা সঠিকভাবে ডেভেলপ করতে পারলে বিজনেস সাকসেসফুল হওয়ার পথে আর কোন বাধাই থাকেনা। তাই যদি একজন সাকসেসফুল বিজনেসম্যান হতে চান, তাহলে এই স্ট্র্যাটেজিগুলো ডেভেলপ
করার পেছনে পর্যাপ্ত ইফোর্ট দিন। দেখবেন পরবর্তীতে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবেনা।
ধন্যবাদ অনেক কিছু জানতে পারলাম❤️